মহান বিজয় দিবস কি?-১৬ই ডিসেম্বর কি
মহান বিজয় দিবস কি? এবং কেনো ১৬ই ডিসেম্বর পালিত হয়? ও ২০২৫ সালের কত তম বিজয় দিবস এই সকল বিষয় অনেক জানতে চেয়ে থাকি। তাই আপনাদের মাঝে এই আর্টিকেল তে সকল তথ্য ও উপস্থাপন করা হবে।
১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমরা কেন পালন করে থাকি? আমাদের কাছে চির গৌরবের দিন ও পৃথিবীর মানচিত্রের এবং লাল সবুজ পতাকার স্থান পাওয়ার দিন এই ১৬ই ডিসেম্বর, এবং বাংলাদেশ নামে পরিচিত লাভ করে নতুন একটি দেশ স্বাধীন ভূখণ্ডের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এই দিনে। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এই দিনটিতে বিজয় আনতে পেরেছি, তার থেকে আমাদের নাম হয়েছে বীর বাঙালি।
পেজ সূচিপত্রঃ মহান বিজয় দিবস কি?-১৬ই ডিসেম্বর কি
- মহান বিজয় দিবস কি?
- মহান বিজয় দিবসের ইতিহাস
- বিজয় দিবসের কবিতা
- ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস এর বক্তব্য২০২৫
-
১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস এর বক্তব্য দ্বিতীয় ২০২৫
- শেষ কথাঃ মহান বিজয় দিবস কি?-১৬ই ডিসেম্বর কি
মহান বিজয় দিবস কি?
মহান বিজয় দিবস কি? আমরা নতুন প্রজন্ম এই বিষয়ে খুব একটা বেশি ধারণা নেই তাই
জন্যই ইতিহাসের মাধ্যমে জানতে পারি যে মহান বিজয় দিবস হলো একটি বিশেষ দিন
যেটিকে আমরা প্রতি বছরের ন্যায় পালন করে থাকি। ১৯৭২ সালের ২২ শে জানুয়ারি তে এই
দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।আজকের এই দিনে
রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়।
দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশের নামে একটি স্বাধীন
ভূখণ্ডে বীরের অতীত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন .১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার
রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১. ৬৩৬ জন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে
আত্মসমর্পণ করে এর ফলে বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী মরণগণ যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের এই দিনে লাখো শহীদের রক্তের
বিনিময়ে বিজয় এনেছিল বাঙালি মহান বিজয় দিবসের দেশের জন্য আত্মদানকারী সকল বীরে
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা আবেদনের দিন এই ১৬ই ডিসেম্বর নাকি আমরা মহান বিজয় দিবস
হিসেবে প্রতিবছর পালিত করে থাকি।
মহান বিজয় দিবসের ইতিহাস
মহান বিজয় দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা কমবেশি সকলেই অবগত নয় মহান বিজয় দিবস
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর, বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি স্মরণীয় গৌরবময় দিন। দীর্ঘ
৯ মাস যুদ্ধের পরে ঢাকাতে রমনা রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর প্রায় ৯,৬৩৪
সদস্য জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ জেনারেল জগ জিৎ অরোরার নেতৃত্বাধীন যৌথ
বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
এই দিনে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি দেশ হিসেবে এবং স্বাধীন ও
সার্বভৌম দেশ বা রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ছিলেন, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের
পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের
বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের জয় উদযাপন এর জন্য এই বিজয় দিবসের তাৎপর্য করে থাকে।
স্বাধীনতা চূড়ান্ত অর্জন যে নয় মাস রক্ত হয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে চূড়ান্ত
বিজয় অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে এবং শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মত্যাগ কে স্মরণ করার একটি বিশেষ দিন বলে আমরা
স্বাধীনতা পেয়েছি হিসেবে ১৯৭২ সালের জানুয়ারি প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী
দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় যুব হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়ে থাকে মহান বিজয় দিবস ১৬ ই ডিসেম্বর শুধু একটি তারিখ
নয় এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে বাঙালি জাতির জন্য
গৌরবের একটি অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে পালিত হয়ে থাকে তা প্রতিবেশ বছরের ন্যায়
দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করা হয় যার মধ্যে প্রধান রয়েছে জাতীয়
পতাকা উত্তোলন ও আলোক সজ্জা।
বিজয় দিবসের কবিতা
সংগ্রহীত, -আবু জাফর বিঃ
মহান বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর, বাঙালি জাতির অহংকার।
বিজয়কে রাখবো সমুন্নত এই হোক অহংকার।
৭১ এর সাড়ে সাত কোটি বাঙালি হয়েছিলো ঐক্যবদ্ধ।
২৬ শে মার্চ থেকে শুরু হয় নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ।
৩০ লক্ষ শহীদের বুকের তাজা রক্ত, দিয়ে বিসর্জন
অবশেষে হানাদার পাকিস্তান বাহিনী করল আত্মসমর্থন।
সেদিন তারা বাঙ্গালীদের কাছে করেছিল শির অবনত,
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল, স্বাধীন সার্বভৌমত্ব।
আমি জনতা প্রায় খালি হাতে্ দাঁড়িয়ে ছিল রুখে,
জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাষাণ বেঁধে বুকে।
যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীনত,
ভুলবো না সেই বীরত্বপূর্ণ মুক্তিযোদ্ধাদের কথা।
জীবন উৎসর্গ করে উপহার দিয়েছেন লাল সবুজের পতাকা,
এনেছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের স্বাধীন বাংলার সীমারেখা।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ে অর্জিত স্বাধীনতা বাংলাদেশের জনগণ;
৪৫ বছর পরেও কি করতে পেরেছি তাদের স্বপ্ন পূরণ?
দূর হয়নি বৈষম্য বিভাজন, আসেনি অর্থনৈতিক মুক্তি,
রুখতে হবে সকল বঞ্চনা, সৃষ্টি করতে হবে গণশক্তি।
লাখো শহীদদের আত্মত্যাগে অর্জিত আজকের এই বিজয়,
সকলে মিলে গড়ব দেশ, মানবো না কোনো পরাজয়।
১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় দিবস এর বক্তব্য ২০২৫
প্রিয় বন্ধুগণ সর্বপ্রথম আমার সালাম আসসালামু আলাইকুম। মহান
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল। বিজয় দিবস এই দিনটি বাঙালি জাতি ও জাতিসত্তার
ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায় আমরা গত পাঁচে আগস্ট ৩৬ শে জুলাই পরবর্তীতে নতুন
প্রেক্ষাপটে 16 ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান মালাই আপনার জন্য একটি আদর্শ
বক্তব্য শেয়ার করতে চলেছি এই নমুনা বক্তব্যটি আপনাকে মহান বিজয় দিবসে
সম্মানে চমৎকার একটি ভাষণ উপস্থাপন করতে সহায়তা করবে।
মাননীয় সভাপতি, সম্মানিত অতিথিগণ, প্রিয় সহকর্মী সম্মানিত শিক্ষক এবং
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত সবাইকে জানাই মহান বিজয় দিবসের রক্তিম শুভেচ্ছা।
আপনাদের সবার প্রতি রইল আমার আন্তরিক সালাম এবং আদাব।
আজ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। আজকের এই দিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি
মুক্তিযুদ্ধে সেই সকল বীর সন্তানদের প্রতি যারা তাদের জীবন ও রক্ত দিয়ে আমাদেরকে
স্বাধীনতার আলোয় আলোকিত করেছিলেন। সম্ভ্রম হারানো ৩০ লক্ষ মা বোনের প্রতি
গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি ২০২৪ এর
গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহত সকল ছাত্র এবং জনতাকে তুলে ডিসেম্বর এটি আমাদের গৌরবের
বিজয় আর আনন্দ অশ্রমাথা এক মুক্তির দিন।
আজ থেকে প্রায়.... বছর আগে এই দিনে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ বিজয় আনন্দ উদ্ভাসিত
হয়েছিল। দীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পরে আমরা পেয়েছিলাম
স্বাধীনতা, যা আজও আমাদের হৃদয়ে অমর সত্তার মত বাস করে। আজকের এই মহান
দিবসে আমরা পৃথিবী বুকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলাম।
আজ জুলাই আগস্ট এর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে আমরা নতুন সম্ভাবনাময়
বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা উদযাপন করছে, যদি আবার আমরা সেই পুরনো
চেতনায় আলোয় আলোকিত হতে , চাই তবে এই চেতনায় জড়িত থাকবে নতুন দিনের
আহবান, নতুন সম্ভাবনা। আজ আমাদের দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন রূপ নিচ্ছে,
আমরা চাই এই পরিবর্তন জাতির উন্নতি ন্যায় বিচার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার
প্রতিষ্ঠার পথে সফল এনে দেবে।
১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস এর বক্তব্য দ্বিতীয় ২০২৫
পরবর্তী তো এই সম্ভাবনাময় দিনে আবার আমাদেরকে বৈষম্যহীন এক নতুন বাংলাদেশ
যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করতে হবে। আমাদের যুব সমাজ আমাদের তরুণ প্রজন্ম আশার আলো
জ্বালিয়ে রেখেছে। তাদের মধ্যে লুকিয়ে আছে সম্ভাবনার শক্তি ভরা চাবিকাঠি এই
প্রজন্মের আমাদের দেশ উন্নয়নের হার আর তাদের হাত ধরে আমরা নতুন এক স্বপ্নময়
দিগন্তে হাঁটতে চলেছি।
কবিতার সুরে বলতে চাই স্বাধীনতার নতুন দাগ আজ নব উত্থান পূর্ণ প্রতিষ্ঠাতা পেল
আবার বাঙ্গালী বীরত্ব ও সম্মান বিজয় দিবসের চেতনা শুধু অতীতের নয় এটি আমাদের
ভবিষ্যৎ গঠনের পথে যে আত্মত্যাগ আজকের এই দিন সম্ভব হয়েছে সেই বীরদের
সম্মানে আমাদের উচিত জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার প্রতিজ্ঞা করা।
দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা, সাম্যর ভিত্তিতে সমাজ নির্মাণ, এবং
সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার যেন আমরা পালন করি। আজকের এই
দিনে আমরা প্রতিজ্ঞা করতে পারি আমাদের যে লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, সুশাসন এবং
ন্যায় প্রতিষ্ঠা সেই লক্ষ্য আমরা একতাবদ্ধ থাকবো। প্রতিটি মানুষ যেন পায়
নিজের মর্যাদা নিজের পরিচয় এবং নিজের স্বাধীনতা। বিজয় দিবসের চেতনা আমাদেরকে
শুধু অতীতের সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দেয় না বরং আমাদের সামনে একটি নতুন দিনের
সম্ভাবনা দিগন্ত উন্মুক্ত করে দেয়।
আমরা যেন সব রকম ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যেতে
পারি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যেন তাদের দক্ষতা মেধা এবং পরিশ্রম দিয়ে দেশের নাম
উজ্জ্বল করতে পারে, সেই দায়িত্ব আমাদের। দেশের প্রযুক্তি, শিক্ষা, এবং
শিল্পের প্রতিটি ক্ষেত্রকে বিশ্বমানের দিকে এগিয়ে নেওয়া আমাদের লক্ষ্যের একটি
অংশ হওয়া উচিত। আজকের প্রজন্মকে নিয়ে আমাদের যতটা আশা, তার দ্বিগুণ
সম্ভাবনা রয়েছে তাদের মধ্যে। কবি সেই চরণ যেন মনে করিয়ে দেয়, পথিক তবু হৃদয়
হতে গাহিয়া যাও স্বপ্নের গান, যেন দুঃখের কান্না ছাড়াই জয় করে সুখের
গান।
সম্মানিত উপস্থিতি বিজয় দিবসের চেতনা উদ্বুদ্ধ হয়ে আসুন আমরা আরো একবার
নতুন করে শপথ নিয়ে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে স্বপ্নের সেই উচ্চতায় পৌঁছানোর
জন্য আমাদের একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। আমাদের দেশ যেনো
শান্তি, প্রগতি, এবং সুখের পথিক হয়ে ওঠে। আমাদের নব প্রজন্মকে স্বপ্ন
দেখায় যে, তারা হবে এমন এক বাংলাদেশ নির্মাতা যেখানে প্রতিটি নাগরিক তার অধিকার
নিয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারবে। আজকের এই দিনে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস আমি
আপনাদেরকে সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি আসুন আমরা শপথ নেই আমাদের মাতৃভূমিকে স্বচ্ছ নাই
পরায়ণ এবং সমৃদ্ধ একটি দেশ হিসেবে গড়ে তোলা জন্য আমরা এক যোগে কাজ করব।
আমরা যেন সেই অনাগত দিনের প্রত্যাশায় এগিয়ে যাই যেখানে বাংলাদেশ হবে সকল
মানুষের গৌরবের কেন্দ্রবিন্দু। প্রিয় বন্ধু গন বিজয় দিবসের এই মহান দিনটিতে
আসুন আমরা স্মরণ করি সেই সব অকুত্য ভয় দিকদের যারা আমাদের স্বাধীনতায়নে ছিল।
আমরা যেন তাদের ত্যাগ কে সম্মান দিয়ে দেশকে আরো উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেই। আমাদের এই
যাত্রা যেন অবিরত চলতে থাকে। ধৈর্য সহকারে আমরা বক্তব্য শোনার জন্য উপস্থিত
সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ২০২৫ আমাদের জাতীয়
জীবনের বার্তা নিয়ে আসুক। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
শেষ কথাঃ মহান বিজয় দিবস কি? ১৬ই ডিসেম্বর কি
মহান বিজয় দিবস কি?- ১৬ই ডিসেম্বর কি মহান বিজয় দিবস এবং ১৬ ই ডিসেম্বর আমাদের
জাতীয় জীবনের একটি মূল অংশ এটি হচ্ছে আমাদের স্বাধীনতা জন্য একটি ইতিহাসকে স্মরণ
করিয়ে দেয়ার দিন এবং জাতীয় চেতনায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করে । বিজয় দিবস উপলক্ষে
আমদের সকলের উচিত শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেবেদন জানানো।এবং নতুন প্রজন্ম
কে এই গৌরবোউজ্জল সম্পর্কে জানানো উচিত।মহান বিজয় উদযাপন আমাদের জন্য একটি গৌরব ও
ঐতিহ্য এর একটি অংশ। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জন্য গবের দিন,ও আমাদের দায়িত্বে বোধেরও
দিন বলে মনে করি।
প্রিয় পাঠক ও বন্ধুগণ আজকের আর্টিকেল থেকে কিছু হলেও আপনাদের ভালো লাগবে
কারণ এটি আমাদের মহান বিজয় দিবস কি? সেই সম্পর্কে লিখেছি যার মাধ্যমে মাধ্যমে
বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। যদি কোন ত্রুটি থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন এবং
ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের মাধ্যমে শেয়ার করবেন। আমাদের সঙ্গেই থাকুন।



আহনাফ নেট এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url